মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল
অন্তর্বর্তী সরকারের আনা জাতীয় ‘মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ রহিত করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলন করে আনা বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিরোধী দলের আপত্তির মুখে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বলেন, আজকে যারা সরকারি বেঞ্চ রয়েছেন তারা চব্বিশের জুলাইয়ের আগে হলে এই বিল পাসের বিরোধিতা করতো। ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ ‘ল্যাপস’ করানো হলে মানবাধিকার কমিশনকে আবারও ‘রাজনৈতিক দমনপীড়নের হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।
হাসনাত আব্দুল্লাহর বিরোধিতার জবাবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংসদ সদস্য খুব সুন্দর বক্তৃতা দিয়েছেন। উনার বক্তৃতাগুলো পল্টন ময়দান, প্রেসক্লাব বা রাজপথের জন্য অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ও জুসি (রসালো)। উনি সব পড়েছেন, শুধু বিলটা পড়েননি। বিলের প্রথম লাইনেই দেওয়া আছে যে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অধিকতর পরামর্শ ও যাচাইবাছাই করার প্রয়োজনে এবং মানবাধিকার কমিশনের জায়গাটি যাতে ফাঁকা না থাকে, সেই কারণেই আপাতত ২০০৯ সালের আইনটি রেস্টোর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকার ২০০৯ সালের ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯’ সংশোধন করে ‘জাতীয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি করে।
কমেন্ট বক্স